কিছু কিছু হাদীছ ,যা মনে রাখর প্রয়োজন

শিক্ষা

নামাযে একাগ্রতা আনার জন্য ধীর-স্থিরতা অবলম্বন করা আবশ্যক।
——————
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
————————————————
‘যে ব্যক্তি পূর্ণভাবে রুকূ করে না এবং সিজদাতে শুধু ঠোকর দেয়, সে ঐ ক্ষুধার্ত ব্যক্তির ন্যায়, যে দু’তিনটি খেজুর খেল, কিন্তু পরিতৃপ্ত হ’ল না’।
………………..
তাবারানী; ছহীহুল জামে‘ হা/৫৪৯২,

__________________________________________________________________________

একটি আমল /সুন্নাহ যা আমরা অনেকেই করি না
উপরে উঠার সময় “আল্লাহু আকবার” বলা এবং
নিচে নামার সময় “সুবহানাল্লাহ” বলা ।
– (বুখারীঃ ২৯৯৩)
…………….
আল্লাহ্ আমাকে আপনাকে এই আমল করার তৌফিক দিক।

__________________________________________________________________________

রাসূলুল্লাহ (সঃ) # আমাদেরকে ৭ বার অভিনন্দন জানিয়েছেন
===============
==================
হযরত আনাস বিন মালিক (রা) হতে বর্ণিত,
রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ
“যে ব্যক্তি আমার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে
এবং আমার সাক্ষাৎ লাভ করেছে, তার জন্য
অভিনন্দন ১ বার।।
আর যে ব্যক্তি আমার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন
করেছে অথচ আমার সাক্ষাৎ লাভ করতে পারেনি
তার জন্য অভিনন্দন ৭ বার।।”
রাওয়াহুল মুসনাদ এ ঈমাম আহমদ অধ্যায়-২; হাদিস নং-৭৮।।

__________________________________________________________________________

আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
★★★★★★★★★
বল, তোমাদের নিকট যদি তোমাদের পিতা তোমাদের সন্তান, তোমাদের ভাই তোমাদের পত্নী, তোমাদের গোত্র তোমাদের অর্জিত ধন-সম্পদ, তোমাদের ব্যবসা যা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় কর এবং তোমাদের বাসস্থান-যা কে তোমরা পছন্দ কর-আল্লাহ, তাঁর রসূল ও তাঁর রাহে জেহাদ করা থেকে অধিক প্রিয় হয়, তবে অপেক্ষা কর, আল্লাহর বিধান আসা পর্যন্ত, আর আল্লাহ ফাসেক সম্প্রদায়কে হেদায়েত করেন না।
…………….
[ সুরা তাওবা ৯:২৪ ]

__________________________________________________________________________

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সালাত (নামায/নামাজ) আদায়ের অবস্থায় তোমাদের কারো যদি তন্দ্রা আসে তবে সে যেন ঘুমের রেশ কেটে না যাওয়া পর্যন্ত ঘুমিয়ে নেয়। কারন, তন্দ্রাবস্থায় সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলে সে জানতে পারবে না, সে কি ক্ষমা চাইছে, না নিজেকে গালি দিচ্ছে।
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি (ইফা)..অধ্যায়ঃ ৪/ উযূ
হাদিস নাম্বারঃ 212.

________________________________________________________________________________________

আল্লাহ তাআলা বলেন,
==============
ইহুদী ও খ্রীষ্টানরা বলে, আমরা আল্লাহর সন্তান ও তাঁর প্রিয়জন। আপনি বলুন, তবে তিনি তোমাদেরকে পাপের বিনিময়ে কেন
শাস্তি দান করবেন? বরং তোমারও অন্যান্য সৃষ্ট মানবের অন্তর্ভুক্ত সাধারণ মানুষ।
তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাকে ইচ্ছা শাস্তি প্রদান করেন। নভোমন্ডল, ভুমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে,
তাতে আল্লাহরই আধিপত্য রয়েছে এবং তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তন করতে হবে।
……………………………
সূরা আল মায়িদাহ ১৮

________________________________________________________________________________________

রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন,
________________
তোমরা বর্তমানে এমন একটা যুগে আছ, যখন আলেমদের সংখ্যা বেশী এবং বক্তাদের সংখ্যা কম। এক্ষণে যে ব্যক্তি তার জানা বিষয়ের এক দশমাংশ ত্যাগ করবে, সে ধ্বংস হবে। এরপর এমন একটা যুগ আসবে যখন বক্তাদের সংখ্যা বেশী হবে এবং আলেমদের সংখ্যা কমে যাবে। তখন যে ব্যক্তি তার জানা বিষয়ের এক দশমাংশ অাঁকড়ে ধরবে সে নাজাত পাবে’।
############
[তিরমিযী হা/২২৬৭ ‘ফিতান’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৭৮; আহমাদ হা/২১৪০৯; ]

________________________________________________________________________________________

আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: “আমরা একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ছিলাম, তিনি হঠাৎ হাসলেন। তিনি বললেন: “তোমরা জান কেন হেসেছি?”, তিনি বলেন: আমরা বললাম: আল্লাহ এবং তার রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন: “(আমি হেসেছি) বান্দার তার রবকে পাল্টা প্রশ্ন করা থেকে।
সে বলবে: হে আমার রব, আপনি কি আমাকে যুলম থেকে নাজাত দেননি?” তিনি বলেন: “আল্লাহ বলবেন: অবশ্যই”। তিনি বলেন: “অতঃপর সে বলবে: আমার বিপক্ষে আমার অংশ ব্যতীত অন্য কোন সাক্ষী মানি না”। তিনি বলেন: “আল্লাহ্ বলবেন: সাক্ষী হিসেবে আজ তোমার জন্য তুমিই যথেষ্ট, আর দর্শক হিসেবে কিরামুন কাতেবিন যথেষ্ট”। তিনি বলেন: “অতঃপর তার মুখে মোহর এঁটে দেয়া হবে, তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে বলা হবে, বল”। তিনি বলেন: “ফলে অঙ্গসমূহ তার আমলের বর্ণনা দিবে”। তিনি বলেন: “অতঃপর সে বলবে: তোমরা দূর হও, নিপাত যাও তোমরা, তোমাদের পক্ষেই তো আমি সংগ্রাম করতাম”।

হাদিসে কুদসি ৭২

[মুসলিম ও নাসায়ি] হাদিসটি সহিহ।

________________________________________________________________________________________

উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য জুম’আর দিনের ফযীলত সমূহ
সূর্য উদিত হয় এমন দিনগুলোর মধ্যে জুম’আর দিন হল সর্বোত্তম দিন। এ দিনে যা কিছু ঘটেছিল তা হলঃ
(ক) এই দিনে আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল,
(খ) এই দিনেই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছিল,
(গ) একই দিনে তাঁকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল [মুসলিমঃ৮৫৪],
(ঘ) একই দিনে তাঁকে দুনিয়াতে পাঠানো হয়েছিল,
(ঙ) এই দিনেই তাঁর তওবা কবুল করা হয়েছিল,
(চ) এই দিনেই তাঁর রূহ কবজ করা হয়েছিল [আবু দাউদঃ১০৪৬],
(ছ) এই দিনে শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে,
(জ) এই দিনেই কিয়ামত হবে,
(ঝ) এই দিনেই সকলেই বেহুঁশ হয়ে যাবে [আবু দাউদঃ১০৪৭],
(ঞ) প্রত্যেক নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতা, আকাশ, পৃথিবী, বাতাস, পর্বত ও সমুদ্র এই দিনটিকে ভয় করে।
[ইবনে মাজাহঃ১০৮৪, ১০৮৫; মুয়াত্তাঃ৩৬৪]

________________________________________________________________________________________

ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ
“হাজারে আসওয়াদ জান্নাত থেকে অবতীর্ণ হয়েছে।
তখন তা দুধের চেয়েও সাদা ছিল।
পরবর্তীতে আদম সন্তানের পাপ
তাকে কালো করে দিয়েছে”

(তিরমিযী ৮৭৭)

Share Now

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *